প্রভাত বাংলা

site logo
Breaking News
||21শে জুন পর্যন্ত বাংলায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী , ‘হিংসা’ মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্টও চেয়েছে আদালত ||ধূমাবতী জয়ন্তী 2024: কেন ভগবান শিব তার নিজের অর্ধেক দেবী সতীকে বিধবা হওয়ার অভিশাপ দিয়েছিলেন?||ইতালিতে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভেঙেছে খালিস্তানিরা||এলন মাস্কের বিরুদ্ধে মহিলা কর্মচারীদের সাথে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ||বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ||সালমান ও শাহরুখ খানকে নিয়ে বড় কথা বললেন ফরিদা জালাল||2027 সালের নির্বাচন একসঙ্গে লড়বে এসপি-কংগ্রেস, লোকসভার মতো বিধানসভায়ও কি দুই ছেলের জাদু দেখা যাবে?||আবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী হবেন পেমা খান্ডু , সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে||Odisha CM Oath Ceremony : 24 বছর পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী পেল ওড়িশা, শপথ নিলেন মোহন মাঝি||Daily Horoscope: : বৃহস্পতি নক্ষত্রের পরিবর্তনের কারণে, মেষ, কর্কট এবং তুলা রাশির জাতকদের জন্য সম্পদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকবে

 নন্দীগ্রাম থানায় ঢুকে পুলিশকে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
 নন্দীগ্রাম

নন্দীগ্রামে পৌঁছে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে খুনিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ তোলেন। আর নন্দীগ্রাম থানার ভিতরে দাঁড়িয়েই তিনি সেই অভিযোগ করেন। এর আগে শুভেন্দুকেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুমকি দিতে দেখা গেছে।

বুধবার রাতে জাগরণ চলাকালীন শোরগোলের মধ্যে মারা যান বিজেপি কর্মী রতিবালা প্রমুখ। তাঁর ছেলে সঞ্জয়ও গুরুতর আহত হয়। বিকেলে নন্দীগ্রামে আসেন শুভেন্দু। এরপর বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শুভেন্দু নন্দীগ্রাম থানায় ঢোকার আগে সেন্ট্রাল ফোর্সের কয়েকজন সদস্য সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। শুভেন্দু তাকে ধমক দিল। এর পরেই থানায় প্রবেশ করেন শুভেন্দু। সেখানে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্যকে তিনি বলেন, “খুনীরা থানায় এসেছিল। যারা মেরেছে, তারাই মাকে মেরেছে। রথীবালা সঞ্জয় ইত্যাদির মা নন, তিনি আমার মা। এখন খুনিদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আমি জানতে চাই এখন খুনির সাথে দেখা কেন? আমি আইসি মজা দেখাব!

বুধবার রাতে রথীবালার মৃত্যুর আগে থেকেই নন্দীগ্রামে আগুন জ্বলছিল। সোনাচূড়া এলাকা থেকে আওয়াজ শুরু হলেও ধীরে ধীরে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা মনসা বাজার এলাকায় গাছ কেটে এবং আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করতে থাকে। একের পর এক দোকানে আগুন দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ অবরোধকারীদের উঠতে বলল, কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। একপর্যায়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে। জনতা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। স্থানীয় নেতা শেখ সুফিয়ানের দাবি, বিজেপিতে নতুন-পুরনোদের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। সেই লড়াইয়ের শিকার হন রতিবালা। যদিও তৃণমূলের দাবি মানতে রাজি নয় বিজেপি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রয়ে থাকা দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে। এই প্রসঙ্গে তুলকালাম ভদন শুভেন্দু নন্দীগ্রাম থানায় প্রবেশ করেন,

বাংলার খবর ,ভারত এবং বিদেশের সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ গল্প পড়ুন এবং নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখুন, Google NewsX (Twitter), Facebook-এ আমাদের অনুসরণ করুন, https://prabhatbangla.com/

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর

ট্রেন্ডিং খবর