প্রভাত বাংলা

site logo
Breaking News
||মেঘ বিস্ফোরণ ইটানগরে ধ্বংসযজ্ঞ, সর্বত্র দৃশ্যমান ভয়াবহ দৃশ্য; অনেক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন||ছত্তিশগড়ের সুকমায় আইইডি বিস্ফোরণে শহীদ ২ সেনা||Daily Horoscope: মিথুন সহ এই ৫টি রাশির জাতক জাতিকারা কাঙ্খিত অগ্রগতি পাবেন, কোন রাশির জাতকরা মন খারাপ করবেন?||NEET Scam : NEET-UG পেপার ফাঁস মামলায় প্রথম FIR নথিভুক্ত করেছে CBI||মক্কায় হজযাত্রীর মৃত্যুতে হতবাক মিশর সরকার, এত কোম্পানির বিরুদ্ধে নিল ব্যবস্থা ||24 ঘন্টার মধ্যে ইয়েমেনের হুথিদের দ্বারা দ্বিতীয় ড্রোন হামলা, এখন লোহিত সাগরে জাহাজ লক্ষ্যবস্তু||বড় ধাক্কা পেলেন বজরং পুনিয়া, আবারও সাসপেন্ড করল নাডা||আবার আকাশ আনন্দকে তার উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নিয়েছেন মায়াবতী||ইন্দোরে বিজেপি নেতাকে গুলি করে হত্যা||আহত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে রেখেছে ইসরায়েলি সেনা

জেল থেকে নির্বাচনে জিতেছে অমৃতপাল, শপথ নিতে কি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসবে?

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
অমৃতপাল

ভারতে গণতন্ত্রের জন্য মহা প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রকাশ্যে এসেছে। 543আসনের সবকটির নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, যা সবাইকে অবাক করেছে। এর চেয়েও চমকপ্রদ আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের ফলাফল। একটি আসন কাশ্মীরের এবং অন্যটি পাঞ্জাবের। কারাগারে থেকেও এখান থেকে নির্বাচনে জিতেছে দুই মৌলবাদী। এখন প্রশ্ন উঠছে এই দুজন কীভাবে শপথ নিতে যাবেন সংসদে। পুরো প্রক্রিয়াটি কী হবে? আসুন আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করি।

ইঞ্জিনিয়ার শেখ আবদুল রশিদ দিল্লির তিহার জেলে বন্দি। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) অধীনে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে শেখ আবদুল রশিদ বারামুল্লা আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। একইভাবে আসামের ডিব্রুগড় কারাগারে রাখা হয়েছে ওয়ারিস পাঞ্জাব দে প্রধান ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল সিংকে। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা আইনে কারাগারে রয়েছেন যেখান থেকে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অমৃতপাল পাঞ্জাবের খাদুর সাহেব আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন।

কিভাবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে?
দু’জনেই শপথ নিতে সংসদে যাওয়ার বিষয়ে যতদূর উদ্বিগ্ন, এর জন্য তাদের আইনের পথ অনুসরণ করতে হবে। আইন না মানার অভিযোগে দুজনই কারাগারে থাকলেও এখন শুধু আইনই সংসদে নিয়ে যাবে। অমৃতপাল ও রশিদকে আদালতে গিয়ে শপথ গ্রহণের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পাওয়ার পর তারা কড়া নিরাপত্তায় শপথ নিতে পারবেন। ঠিক আছে, এই দুইয়ের শপথ স্থগিত করা যেতে পারে কিন্তু থামানো যাবে না।

আদালতের দেওয়া শর্তে শপথ নিতে যাবেন
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গতানুগতিক পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথমে স্পিকার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠাবেন জেল সুপারের কাছে যেখানে একটি আসন থেকে বিজয়ী আসামিকে রাখা হয়েছে। এই দুজনের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। যেহেতু দুজনকেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে, তাই জেল সুপারকেও আদালতকে জানাতে হবে এবং অনুমতি নিতে হবে। এরপর আদালতের সিদ্ধান্তে নিরাপত্তার শর্তে তাকে শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সংসদে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।

কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রস্তুত করা হবে
কারা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উভয় আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় কারাগার থেকে সংসদে নিয়ে যাওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করা বা সংসদ কর্মকর্তা বা অন্যান্য সংসদ সদস্য ছাড়া অন্য কারও সাথে দেখা করা নিষিদ্ধ করা হবে। এসিপি এবং তারপর ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা কঠোর নিরাপত্তায় তাদের সংসদে নিয়ে যাবেন। কারাগার থেকে সংসদে নিয়ে যাওয়া পুলিশের দল শুধু সংসদের গেট পর্যন্ত যাবে। সেখানে অভিযুক্ত সংসদ সদস্যদের সংসদের নিজস্ব নিরাপত্তায় নিতে হবে। সংসদের নিরাপত্তা তাকে আরও হাউসে নিয়ে যাবে।

এখানে উল্লেখ করা জরুরী যে, সংসদে প্রবেশের সাথে সাথে অভিযুক্ত উভয় সংসদ সদস্যই সমস্ত অধিকার পাবেন যা অন্য সকল সংসদ সদস্যরা পাবেন। তবে শপথ অনুষ্ঠান হোক বা সংসদের অধিবেশন, কারাগারে থাকা আসামি সাংসদদের কারাগারে যাওয়া-আসার জন্য প্রতিবারই আদালতের অনুমতি নিতে হবে। প্রতিবারই পুলিশকে কড়া নিরাপত্তায় সংসদে নিয়ে যেতে হবে। ফেরার সময়ও তাদের চারপাশে একই ধরনের নিরাপত্তা কর্ডন থাকবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর

ট্রেন্ডিং খবর