প্রভাত বাংলা

site logo
Breaking News
||কেরালার বিধায়ক বলেছেন- রাহুলকে তার ডিএনএ পরীক্ষা করানো উচিত||তেলেঙ্গানায় ভেঙে পড়েছে 8 বছর ধরে নির্মিত সেতু, প্রবল বাতাসের কারণে দুটি কংক্রিটের গার্ডার ভেঙে পড়েছে||ইংলিশ চ্যানেল পার হতে গিয়ে শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু, সৈকতে পাওয়া গেছে মৃতদেহ ||এখন এই দলের খেলা নষ্ট করতে পারে RCB, প্লে-অফে সংকট হতে পারে||বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী বিল স্বাক্ষর না করায় রাজ্যপালের বক্তব্য শুনতে নোটিশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট||Horoscope Tomorrow : মেষ, কর্কট, তুলা রাশির শত্রুদের থেকে সাবধান, জেনে নিন সব রাশির রাশিফল||Airtel নিয়ে এল শক্তিশালী প্ল্যান, 184টি দেশে কাজ করবে আনলিমিটেড ইন্টারনেট, দীর্ঘ আলোচনা হবে||T20 World Cup 2024 স্কোয়াডে দিনেশ কার্তিককে জায়গা দেওয়া কতটা সঠিক, জেনে নিন পরিসংখ্যান||‘এর জন্য আপনাকে মূল্য দিতে হবে…’, প্রধানমন্ত্রী মোদীর বক্তব্যে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়||Shahrukh khan return as don: সুহানা খানের কিং-এ ডন চরিত্রে অভিনয় করবেন শাহরুখ খান

কোটায় NEET-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন এক ছাত্রীকে অপহরণ

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
কোটা

কোটা থেকে NEET-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এক ছাত্র অপহরণ। মেয়েটির বাবার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে দুষ্কৃতীরা বিষয়টি জানায়। মেয়েটির ছবিও পাঠিয়েছেন। মেয়েটির হাত, পা ও মুখ বাঁধা। ছাত্রের মুক্তির জন্য 30 লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। তরুণী মধ্যপ্রদেশের শিবপুরির বাসিন্দা।

মঙ্গলবার সকাল 10টা 15মিনিটে বাবাকে কোচিং ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায় পুলিশ। কোচিং শিক্ষার্থীর নিবন্ধন করতে অস্বীকার করেছে। এখন পুলিশ বাবা ও প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলবে।

মেয়ের মুখে রক্ত ​​দেখা গেছে
কোটার বিজ্ঞান নগর থানায় রিপোর্ট দিয়েছেন শিবপুরীর (এমপি) বৈরাদের বাসিন্দা রঘুবীর ধাকড়। শিবপুরী এলাকায় তার একটি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। প্রতিবেদনে রঘুবীর পুলিশকে বলেছেন- আমার মেয়ে কাব্য ধাকড় (20) কে অপহরণ করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় আমার মোবাইলের একটি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে আমার মেয়ে অপহরণ সংক্রান্ত একটি বার্তা আসে। মেয়ের হাত-পা-মুখ বেঁধে ছবিও পাঠিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। কিছু ছবিতে মেয়ের মুখেও রক্ত ​​দেখা যাচ্ছে।

Kota Coaching Industry: কোটা, ভারতের দেড় হাজার কোটি টাকার এডুকেশন হাব | 📖  LatestLY বাংলা

ছবির প্রেরক বার্তায় লিখেছেন- রঘুবীরের মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য 30 লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। বার্তা প্রেরক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণও পাঠিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে টাকা জমা দিতে বলা হয়। আমার কাছে এত টাকা ছিল না এবং ব্যবস্থা করার জন্য সময় চেয়েছিলাম। এরপর মেসেজ করা ব্যক্তি মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে কোটা পুলিশকে বিষয়টি জানাই। পুলিশকে ছবি ও বার্তা পাঠানোর পর আমি নিজেই শিবপুরী থেকে কোটার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। সোমবার রাতে কোটায় পৌঁছেছি।

ये फोटो छात्रा के पिता के वॉट्सऐप पर आया था। इसके बाद पिता ने कोटा पुलिस से शिकायत की।

কোটা এসেছে গত বছরের সেপ্টেম্বরে
রঘুবীর রিপোর্টে বলেছিলেন যে তিনি তার মেয়েকে 2023 সালের সেপ্টেম্বরে NEET-এর প্রস্তুতির জন্য কোটায় রেখেছিলেন। তিনি বিজ্ঞান নগর এলাকায় অবস্থিত একটি কোচিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। তাকে এই এলাকায় একটি কক্ষও দেওয়া হয়েছিল। শেষবার আমার মেয়ে দীপাবলিতে বাড়িতে এসেছিল। প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা হতো। রবিবার রাতেও মেয়ের মায়ের সঙ্গে কথা হয়। তখন তিনি বলেছিলেন পরীক্ষা দেওয়ার পর আসবেন।

কোচিং ইনস্টিটিউট জানিয়েছে- কোনো নিবন্ধন ছিল না
দীনেশ জৈন, কোটা হেড অফ পিডব্লিউ কোচিং, বলেছেন – মেয়েটির (কাব্য ধাকড়) নামে কোচিংয়ে কোনও নিবন্ধন নেই। অন্যদিকে মেয়েটির বাবা রঘুবীর জানান, তিনি কাব্যকে কোচিংয়ে ভর্তি করিয়েছেন। এখন কোচিং ইনস্টিটিউট তা অস্বীকার করছে। কাব্য পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল। পরীক্ষার জন্য কোচিং থেকে একটি বার্তা এসেছিল। এ বিষয়ে কোচিং ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, কোচিং থেকে কোনো বার্তা পাঠানো হয়নি।

কোচিং ইনস্টিটিউট প্রাইভেট নম্বর থেকে বার্তা পাঠায় না। এমন পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। অন্যদিকে, হোস্টেল অপারেটর পারস কুমারও অস্বীকার করেছেন যে কাব্য তার জায়গায় থাকছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কাব্য নামের মেয়েটি কখনো হোস্টেলে আসেনি।

পুলিশ মেসেজ প্রেরকের কাছে পৌঁছেছে
মামলায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পেয়েছে পুলিশ। কোটা শহরের এসপি অমৃতা দুহান বলেছেন যে পুলিশ দল গঠন করে মামলার তদন্ত শুরু করেছে। সোমবার গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা কোটায় পৌঁছান। সূত্রের খবর, জয়পুরের সিন্ধি ক্যাম্প থেকেও এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এখনও তার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে।

पुलिस लड़की के पिता को लेकर आज सुबह कोचिंग पहुंची है। दोनों पक्षों से आमने-सामने बात होगी।

ইন্দোরে হুমকি পাওয়া যাচ্ছিল, কোটা বদল হল
ছাত্রীর বাবা রঘুবীর ধাকড় জানিয়েছেন- দুই বছর আগে মেয়ে ইন্দোরে থাকতে NEET-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এখানে জারিয়াখেদা গ্রামের বাসিন্দা রিংকু ধকদ মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। এ নিয়ে ইন্দোর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপর অনুরাগ সোনি ও হর্ষিত নামের ছেলেরা মেয়ের নম্বরে হুমকি দেয়। এর পর মেয়েকে ইন্দোর থেকে শিবপুরীতে ফেরত ডাকা হয়। কন্যা শিবপুরীতে ৬ মাস ছিলেন। এর পরে, কোটাকে 2023 সালের সেপ্টেম্বরে NEET প্রস্তুতির জন্য পাঠানো হয়েছিল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর

ট্রেন্ডিং খবর