প্রভাত বাংলা

site logo
মীনাক্ষী মুখার্জি

পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য মীনাক্ষী মুখার্জির

কারণ তারা মাথা নিচু করে বসে আছে, সরকার চুরি করতে পারছে, চুরি করতে পারছে – আবার পুলিশ প্রশাসনকে টেবিলে নিয়ে এসেছে, DYFI এর রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখার্জি (মীনাক্ষী মুখার্জি)। এর আগেও বেশ কয়েকবার পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে বামপন্থী এই নেতাকে। বুধবার পশ্চিম বর্ধমানের জনসভা থেকে মীনাক্ষীর তোপে বলেন, “তারা ঠিক থাকলে এই এলাকায় চুরি হত। মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদরা যা করছেন তা ছেড়ে দিন, আমাদের ট্যাক্সের টাকা তাদের বেতন।”

বুধবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার লাউদোহায় ‘গ্রাম জাগাও-বাংলা বাঁচাও’ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম নেত্রীমিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। আজকের বৈঠক থেকে পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পুলিশ প্রশাসনকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তারা ঠিক থাকলে কোনো সরকার বা রাজনৈতিক দল জোর করে চুরি করার সাহস পাবে না। তারা ঠিক নয় বলেই আজকের এই অবস্থা। তারা কোনো না কোনো নীতির সঙ্গে আপস করছে। কারো সামনে মাথা নত করা।আমাদের দেশে রাষ্ট্রে এমন কোনো নীতিমালা করা হলে তারা মাথা নিচু করতে বাধ্য।

সামনেই ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে জেলায় ‘গ্রাম জাগো-বাংলা বাঁচাও’ কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্যের বাম শিবির। পশ্চিম বর্ধমান জেলার লাউদোহায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মীনাক্ষী আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা যাতে মনোনয়ন দিতে পারে এবং নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। আজকের সভা থেকে মীনাক্ষী বলেন, “কর্পোরেশনের ভোট লুট হয়েছে। পঞ্চায়েতের সময় ভোট ছাড়ুন, এমনকি মনোনয়নও দেওয়া হচ্ছে না। যে পুলিশ আগামীকাল পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল যে আমাদের সভা করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, পুলিশ তা দিচ্ছে না। নির্বাচনের সময় মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস আছে।

Read more : লটারি রহস্যের সমাধান করতে বীরভূমের বড়শিমুলায় সিবিআই

প্রসঙ্গত, ধর্মতলায় বামপন্থীদের ইনসাফ মিটিং নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে দেখা গেছে বামপন্থী যুবনেতাকে। 15 সেপ্টেম্বর কলকাতা পৌরসভা প্রচারের পরে, বামরা 20 সেপ্টেম্বর ধর্মতলায় ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যুর প্রতিবাদ সহ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ‘ইনসাফ সভা’ আয়োজন করেছিল। DYFI রাজ্য সভাপতি মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন পুলিশ যাতে কোনোভাবেই মিটিংকে ‘স্পুফ’ করার চেষ্টা না করে। তিনি বলেন, “পুলিশ রাষ্ট্রের পুলিশ। আমরা অবশ্যই চাই তারা আইন অনুযায়ী কাজ করুক। আমরা আশা করি তারা আমাদের সভা করার গণতান্ত্রিক অধিকারে সাহায্য করবে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *