প্রভাত বাংলা

site logo
প্রতিমন্ত্রী

বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে গো ব্যাক স্লোগান, মাটিতে ফেলে যুবককে মার বাঁকুড়ায়

পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে প্রচার করতে রাজ্যে এসেছেন মিঠুন চক্রবর্তী (বাঁকুড়ায় মিঠুন চক্রবর্তী)। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সভা করছেন। বুধবার পুরুলিয়ায় বৈঠক করেন। আর বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় সভা করার কথা রয়েছে তাঁর। বুধবার রাতে বাঁকুড়া পৌঁছেছেন তিনি। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি প্রচারে বের হন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। আর সে সময় মিঠুন চক্রবর্তীর সামনে গো ব্যাক স্লোগান শুনতে হয় তাকে।

ঠিক কী হয়েছিল?
বাঁকুড়ার দুর্লভপুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী ও সুভাষ সরকার। ওই অনুষ্ঠানের বাইরে দেখা যায় দীপক চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তিকে। বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে তিনি বললেন ‘গো ব্যাক সুভাষ সরকার’। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। ওই ব্যক্তি জানান, তিনি নিজেই বিজেপি কর্মী। কিন্তু, সুভাষ সরকারের প্রতি তার ক্ষোভ রয়েছে। কারণ এমপি তার এলাকায় কোনো কাজ করেননি। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে উপস্থিত অন্য বিজেপি কর্মীরা ওই যুবককে মারধর করেন বলে অভিযোগ। তাঁর হাত থেকে বিজেপির পতাকাও কেড়ে নেওয়া হয় এবং সেই লাঠি দিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়।

গোব্যাক স্লোগান শুনে ক্ষুব্ধ বিজেপি সাংসদরাও
এ ঘটনায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষোভও প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য। মারধরের বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, “তৃণমূল তাকে মদ খাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে পাঠিয়েছে। তৃণমূল মাটি হারিয়ে ফেলেছে। শিক্ষা মন্ত্রক জেলে আছে, সেজন্যই এটা করছে। ওই ব্যক্তিকে আরও মেরে ফেলা উচিত ছিল। তাকে মেরে ফেলা উচিত ছিল।

Read More : ‘বিশ্বাসঘাতকদের থেকে সাবধান, এনআইএ এখনও বেঁচে আছে’, খেজুরিতে শুভেন্দু

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাজ্য সফরে এসেছেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী। রাজ্যে তাঁর সফর মূলত পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারের জন্য। বুধবার রাতে বাঁকুড়া শহরের লালবাজারের একটি বেসরকারি লজে রাত্রিযাপন করেন তিনি। বৃহস্পতিবার প্রথম পর্বে, মিঠুন মেজিয়ার দুর্লভপুরে দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার ২৮টি মণ্ডলের মণ্ডল সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন। পরে পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটির বৈঠক হয়। তারপর শালতোড়া দলের বিধায়ক চন্দনা বাউরির বাড়িতে দুপুরের খাবার খান। এবং অবশেষে বিকেলে মেজিয়া কলেজ মাঠে কর্মশালা করেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *