প্রভাত বাংলা

site logo
রাস্তা

দুই বছর পর মিরিকের রাস্তায় কালো চিতাবাঘ! আতঙ্কিত এলাকাবাসী

শহর থেকে চা বাগান বস্তি এলাকায় বাড়ি ফিরছিলেন মদন ছেত্রী। হঠাৎ চোখের পলকে কালো কিছু একটা রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গেল। জানার আগেই চলে গেল। সে ভয়ে কেঁপে উঠল। তাড়াতাড়ি বস্তিতে ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর সেই রাস্তা দিয়ে একটা ছোট গাড়ি আসছিল। ড্রাইভার দেখল একটা কালো জন্তু দাঁড়িয়ে আছে। মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে বন বিভাগের কর্মীদের দেখান তিনি। বুধবার বিকেলে মিরিকের ওকাইতি চা বাগান সংলগ্ন ডিভিশন নয় নম্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বনকর্মীরা প্রাণীটির ছবি দেখে গাড়িচালককে জানান যে প্রাণীটি ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ অর্থাৎ কালো চিতা। তবে উত্তরবঙ্গের ফরেস্টার (বন্যপ্রাণী) রাজেন্দ্র জাখর বলেন, “বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। ব্ল্যাক প্যান্থারদের প্রায়ই পাহাড়ে দেখা যায়। তারা চিতাবাঘের মতো ঘুরে বেড়ায়। পথচারী কেন অবাক হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এই বছর বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প বন এবং জয়ন্তী এলাকায় ব্ল্যাক প্যান্থার দেখা গেছে। কার্শিয়াং-এর ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার বিশ্বনাথ প্রতাপ বলেন, “মিরিতে যে প্রাণীটি দেখা যাচ্ছে তা কালো চিতাবাঘ। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

Read More : পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বীরভূমে মমতার নতুন কমিটি

উত্তরবঙ্গের ফরেস্টার (বন্যপ্রাণী) জানান, চা বাগান থাকলে চিতাবাঘ দেখা যায়। কিন্তু কালো চিতা চোখে পড়ে। আতঙ্ক বাড়ে। সম্প্রতি মিরিকের কাছে রংটং এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়ির ধাক্কায় একটি কালো চিতা মারা যায়। অন্যদিকে, ভাল্লুক এখন পাহাড় ও সমতলের সর্বত্র। দার্জিলিং-এর ঘুমন্ত এলাকায় আজ একটি ভালুককে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। সেই ছবি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে বনকর্মীরা জানিয়েছেন, কালো চিতা সব সময় দেখা যায় বলে ভাল্লুক ঘুমানোর আগে খাবারের খোঁজে ওই এলাকায় ঢুকে পড়ে। তাই এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সাবধান হও.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *