প্রভাত বাংলা

site logo
বাবুল সুপ্রিয়

অবশেষে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন বাবুল সুপ্রিয়

অবশেষে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন বাবুল সুপ্রিয়। বুধবার নওশার আলীর চেম্বারে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নেওয়ার পর বালিগঞ্জের বিধায়ক বলেন, “আমি অনেক আগেই বিধায়ক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলাম। বিকেলে একটা অনুষ্ঠান আছে ওয়ার্ডে। চলুন সেখানে যাই। আজকে একটা নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। নির্দেশ মেনে চলব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আমাকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ।”বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। ব্যাবিলনের শপথ অনুষ্ঠানের সময় তিনি তার বাড়িতে ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, সেক্রেটারি জেনারেল ফিশারিজ অখিল গিরি, রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু, চিফ হুইপ নির্মল ঘোষ এবং ডেপুটি চিফ হুইপ তাপস রায় এবং রাসবিহারী বিধায়ক ও দক্ষিণ কলকাতা জেলা প্রধান।

প্রসঙ্গত, বাবুল 16 এপ্রিল বালিগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে বামফ্রন্ট প্রার্থী সায়রা হালিমকে 20,036 ভোটে পরাজিত করেছিলেন। এরপর থেকে একের পর এক কারণে তার শপথ গ্রহণ বিলম্বিত হতে থাকে। কারণ তিনি বিধায়কদের স্পিকারের কাছে রাজ্যপালের শপথ নেওয়ার অধিকার ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। বাবুলের শপথ গ্রহণের জন্য সংসদীয় কার্যালয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখরের কাছ থেকে অনুমতি চাওয়ায়, তিনি আটকে থাকা বিলটির জন্য সরকারকে দায়বদ্ধ বলেছেন। ফলে আটকে আছে ব্যাবিলনের শপথ।

পরে অবশ্য সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বাবুল ডেপুটি স্পিকারকে শপথ নেওয়ার অনুমতি দেন। বাবুল আবারও টুইট করেছেন যে তিনি স্পিকারের কাছ থেকে শপথ নিতে পারেননি। স্পিকারকে এড়িয়ে ডেপুটি স্পিকার বাবুলের শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে আবারও আটকে গেল বাবুলের শপথ। তিনি গভর্নরকেও জানিয়েছিলেন যে তিনি চিঠি দিয়ে তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। সূত্রের খবর, আশিসকে শেষ পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে শপথ নিতে বলা হয়েছে। এ কারণে ডেপুটি স্পিকার বাবুল শপথ নিতে রাজি হন। বুধবার তিনি বাবুলকে শপথবাক্য পাঠ করান। ব্যাবিলনের শপথ নিয়ে বিতর্ক শেষ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *